রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০২:২৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি....
“সরকারের দিক-নির্দেশনা মেনে চলি, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করি।” অনলাইন নিউজ পোর্টাল “আজকের দিগন্ত ডট কম” এর পক্ষ থেকে আপনাকে জানাচ্ছি স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে এখনই ভিজিট করুন “আজকের দিগন্ত ডট কম” (www.ajkerdiganta.com) । বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য পরিশ্রমী, মেধাবী এবং সাহসী প্রতিনিধি আবশ্যক, নিউজ ও সিভি পাঠানোর ঠিকানাঃ-- ajkerdiganta@gmail.com // “ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, আসুন আমরা মাদক’কে না বলি”
সংবাদ শিরোনাম....
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের তারকা খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা প্রদান সাটুরিয়ায় রাহাত মালেক শুভ্র ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্ট ২০২২ অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ধ্রুবতারা’র উদ্যোগে যুব সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত সাটুরিয়ায় নবনির্বাচিত মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য রাজ্জাক হোসাইন রাজ কে সংবর্ধনা বীরগঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শিশুদের জীবন গড়ার কাঠামো তৈরি করে দেয় — তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বীরগঞ্জে দিনব্যাপী কাব হলিডে ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ১৫ বছর পর হতে যাচ্ছে নান্দাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন আশুলিয়ায় ধনাইদ এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন শ্রীপুরে মাওনা চৌরাস্তায় ব্যবসায়ীদের সাথে স্থানীয় সাংসদের মতবিনিময়

ইতিহাসের পাতায় ভূটান

ইতিহাসের পাতায় ভূটান

 

অনলাইন ডেস্ক :— ভূটানের প্রাথমিক ইতিহাস বেশ অস্পষ্ট এবং পৌরাণিক কাহিনীতে ভরা। কিছু অবয়ব এটা প্রমান করে যে, খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ এর পূর্বেও এর অস্তিত্ব ছিল। একটা কিংবদন্তি মতে, এই দেশটি কুচ-বিহার এর রাজা সঙ্গলদ্বীপ ৭ম শতাব্দী সময়টায় রাজত্ব করতেন। কিন্তু ৯ম শতাব্দীতে তিব্বতী বৌদ্ধ সন্যাসীদের পালিয়ে আসার পূর্বে এ সম্পর্কে খুব একটা স্পষ্ট ধরনা পাওয়া যায় না। ১২তম শতকে ড্রুকপা কাগিউপা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আজ পর্যন্ত ভূটানে বৌদ্ধধর্মালম্বীদের প্রাধান্য রয়েছে। দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাস তাদের ধর্মীয় ইতিহাসের সাথে কঠিন বন্ধনে আবদ্ধ এবং বিভিন্ন মঠ ও মঠের স্কুলের সাথে সম্পর্কযুক্ত।

ভূটান হচ্ছে সেই অল্পসংখ্যক দেশগুলোর একটি যারা তাদের ইতিহাস জুড়ে স্বাধীন। ভূটানকে জয় করা, দখল করা বা বাইরের কারও দ্বারা শাসন করা কখনো সম্ভব হয়নি (তবে সাময়িক উপজাতীয় শাসন ব্যতীত)। ৭ম থেকে ৯ম শতাব্দীতে কামরুপ রাজত্ব বা তিব্বতীয় সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল এমন ধারণা থাকলেও তা পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে কখনো প্রমাণ করা যায়নি। ঐতিহাসিক বিবরণে এটা স্পষ্ট যে, ভূটান ক্রমাগতভাবে এবং সফলভাবে তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে চলেছে।

ভূটানের একত্রীকরণ ঘটে ১৬১৬ সালে যখন পশ্চিমা তিব্বতের গায়াঙ নামগিয়াল নামক একজন লামা যিনি কিনা ঝাবধ্রুং রিনপোচে নামেও পরিচিত, প্রতিদ্বন্দী ধর্মীয় বিদ্যালয়গুলোকে পরাস্ত করে, ধমীয় আইন ব্যবস্থার প্রয়োগ করে সাংস্কৃতিক ও নাগরিক প্রশাসক পদ্ধতি সমর্থিত একজন শাসক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার মৃত্যুর পর, পরবর্তী ২০০ বছরের জন্য ঝাবধ্রুনের সাম্রাজ্য গৃহযুদ্ধের পাকে পড়ে বিধ্বস্ত হয়। ১৮৮৫ সালে উজিয়েন ওয়াংচুক ক্ষমতা দখলে সক্ষম হন এবং উপমহাদেশে ব্রিটিশদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন।

১৯০৭ সালে, উজিয়েন ওয়াংচুক ভুটানের উত্তরাধিকারী শাসক হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিনি মুকুট পড়েন এবং রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে ড্রেক গিয়ালপো (ড্রাগন কিং) প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯১০ সালে রাজা উগিযেন এবং ব্রিটিশদের মধ্যে পুনাখা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যেখানে উল্লেখ থাকে যে, যদি বহিরাগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভূটান তাদের পরামর্শ গ্রহণ করে তবে ভুটানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ব্রিটিশ ভারত হস্তক্ষেপ করবে না। ১৯২৬ সালে ইউজেন ওয়াংচুক মারা গেলে তার ছেলে জিগমে ওয়াংচুক শাসনকর্তা হয় এবং ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর নতুন ভারতীয় সরকার স্বতন্ত্র দেশ হিসাবে ভুটানকে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৪৯ সালে ভারত ও ভুটান শান্তি ও সম্প্রীতির চুক্তি স্বাক্ষর করে, যেখানে উল্লেখ থাকে যে, ভারত ভুটানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না, তবে তাদের পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবে। ১৯৫২ সালে জিগমে ডোরজি ওয়াংচুক ভুটানকে তার বিচ্ছিন্নতা থেকে ধীরে ধীরে বের হয়ে আসা এবং পরিকল্পিত উন্নয়নের একটি নকশা বাস্তাবায়নে সফল হন। নতুন একটি আইনের সাথে সাথে ভূটানের জাতীয় পরিষদ, রয়্যাল ভূটানিজ আর্মি এবং রয়্যাল কোর্ট অব জাস্টিস প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭১ সালে ভূটান জাতিসংঘের সদস্য হন।

১৯৭২ সালে, জিগমে সিংয়ে ওয়াংচাক সিংহাসনে আরোহন করেন। তিনি আধুনিক শিক্ষা, শাসনের বিকেন্দ্রীকরণ, জলবিদ্যুৎ ও পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের ওপর জোর দেন। তিনি সম্ভবত একমাত্র ব্যক্তি যিনি “সর্বজনীন জাতীয় সুখ” এর বিস্তৃত উন্নয়ন দর্শনের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত ছিলেন। এটা অনস্বীকার্য যে উন্নয়নের অনেক মাত্রা আছে এবং শুধুমাত্র অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রাই যথেষ্ট নয়। ভূটানের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট হয়ে ২০০৮ এ নতুন সংবিধান প্রবর্তনের অপেক্ষায় না থেকে তিনি ২০০৬ এর ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেন। তার পদ্যাগের পর পুত্র জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক ভূটানের রাজা হন।

Print Friendly, PDF & Email

খবরটি শেয়ার করুন....



Leave a Reply

Your email address will not be published.



বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

করোনা ইনফো (কোভিড-১৯)

 

 

 

 

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:০৫ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
  • ১৫:৩৫ অপরাহ্ণ
  • ১৭:১৪ অপরাহ্ণ
  • ১৮:৩১ অপরাহ্ণ
  • ৬:২০ পূর্বাহ্ণ

জনপ্রিয় পুরাতন হিন্দি গান

জনপ্রিয় বাউল গান

[print_masonry_gallery_plus_lightbox]




জনপ্রিয় পুরাতন বাংলা গান

সর্বশেষ সংবাদ জানতে



আমরা জনতার সাথে......“আজকের দিগন্ত ডট কম”

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত “আজকের দিগন্ত ডট কম”।  অনলাইন নিউজ পোর্টালটি  বাংলাদেশ তথ্য মন্ত্রনালয়ে জাতীয় নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন।

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Shares
x