বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি....
“সরকারের দিক-নির্দেশনা মেনে চলি, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করি।” অনলাইন নিউজ পোর্টাল “আজকের দিগন্ত ডট কম” এর পক্ষ থেকে আপনাকে জানাচ্ছি স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে এখনই ভিজিট করুন “আজকের দিগন্ত ডট কম” (www.ajkerdiganta.com) । বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য পরিশ্রমী, মেধাবী এবং সাহসী প্রতিনিধি আবশ্যক, নিউজ ও সিভি পাঠানোর ঠিকানাঃ-- ajkerdiganta@gmail.com // “ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, আসুন আমরা মাদক’কে না বলি”
সংবাদ শিরোনাম....
তিলোত্তমা নগরী গড়তে হলে মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে– মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক পীরগঞ্জে কৃষকলীগের আনন্দ র‌্যালী লোহাগাড়ায় স্বাস্থ্য সহকারীদের স্বারকলিপি প্রদান নলডাঙ্গায় সাড়ে ৯ হাজার কৃষক বিনামূল্যে বীজ ও সার পাচ্ছে খুলনায় স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সংগঠনের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ শ্রীপুরে মাস্ক পরিধান না করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আশুলিয়ায় করদাতাদের সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে ‘আয়কর রিটার্ন গ্রহন ও কর তথ্য সেবা’ প্রদান রাজাপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য সহ আহত ৫ দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বেড়েছে– সিটি মেয়র যুব প্রতিবন্ধী জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতা ২০২০ অনুষ্ঠিত

আগামীকাল বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু, মুসল্লির ঢল এখন তুরাগ তীরে

আগামীকাল বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু, মুসল্লির ঢল এখন তুরাগ তীরে

 

 

 

গাজীপুর থেকে সাইফুল আলম সুমনঃ— রাজধানীর অদূরে টঙ্গীর তুরাগ তীরে আগামীকাল শুক্রবার ফজরের নামাজ শেষে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে তাবলিগ জামাতের ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। ইজতেমা উপলক্ষে মাঠের সব রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটি। ভোর রাত থেকেই বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে ইজতেমায় যোগ দিতে দেশ-বিদেশের মুসল্লিরা ট্রাক, পিকআপ, ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে, লাখো মুসল্লির ঢল এখন তুরাগ তীরের বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে। তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের বিবাদের কারণে এবারও বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে আলাদাভাবে। এবার কোনো পক্ষেরই পাঁচ দিনের প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ ‘জোড়’ ইজতেমা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়নি।

শুক্রবার থেকে ইজতেমার মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার বাদ ফজর থেকে আমবয়ান শুরু হয়েছে। প্রায় সব জেলার জিম্মাদাররা টঙ্গীর ময়দানে এসে উপস্থিত হয়েছেন। জেলা জিম্মাদারদের উদ্দেশ্যে ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে দিক-নির্দেশনামূলক আলোচনাও চলছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে মুসল্লিরা এসে ঢাকার কাকরাইল মসজিদসহ টঙ্গীর আশপাশের বিভিন্ন মসজিদে অবস্থান নিয়েছে। শীত ও কনকনে হিমেল হাওয়াকে উপেক্ষা করেই মুসল্লিরা দলে দলে ভাগ হয়ে তাদের স্ব স্ব খিত্তায় অবস্থান নিচ্ছেন।

মাওলানা যোবায়ের পন্থির ইজতেমা মাঠের মুরুব্বি প্রকৌশলী মফিজুর রহমান জানান, প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমা আগামীকাল ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। দেশের তাবলিগ জামাতের মুসল্লি ও সর্বস্তরের মুসলমানেরা প্রথম পর্বে অংশ নেবেন। এ ছাড়া বিশ্বের প্রায় বিভিন্ন দেশের মুসলমান এবারের ইজতেমায় অংশ নেবেন। এবার পুরো ময়দানকে ৮৭ খিত্তায় ভাগ করে আগত মুসল্লিদের জেলা অনুযায়ী অবস্থান নিশ্চিত করেছেন আয়োজকেরা।

সরাকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাওলানা যোবায়েরের অনুসারীরা ইজতেমা পালন করবেন ১০, ১১ ও ১২ জানুয়ারি। আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ১২ জানুয়ারি (রবিবার) শেষ হবে প্রথম পর্বের ইজতেমা।

চারদিন বিরতি দিয়ে সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ইজতেমা পালন করবেন ১৭, ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি। আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ১৯ জানুয়ারি (রবিবার) সমাপ্তি ঘটবে ২০২০ সালের ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমা।

এরই মধ্যে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা। তিন দিনের ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের রাত যাপনের জন্য মাটিতে চট বিছিয়ে, ওপরে শামিয়ানা টাঙানো হয়েছে। মুসল্লিদের অজু-গোসল, পানির জন্য চৌবাচ্চা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বিশুদ্ধ পানিতে পূর্ণ করা হয়েছে। ইজতেমার শেষ দিন পর্যন্ত এসব চৌবাচ্চায় নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ থাকবে। মাঠের চারদিকে স্থায়ী শৌচাগারের পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে অস্থায়ী শৌচাগার। ইজতেমা ময়দানের পশ্চিম দিকে বিদেশি মেহমান খিত্তার পাশে স্থাপন করা হয়েছে নামাজের স্থান। আর তুরাগ তীরের পশ্চিম দিকে মাঠের মাঝামাঝি রয়েছে বয়ানের মঞ্চ। মাঠের প্রতিটি কোনে মুসল্লিদের বয়ান শোনার জন্য মাইক লাগানো হয়েছে। ইজতেমা চলার সময় থাকবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহ।

ইজতেমার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, ইতোমধ্যেই মাঠ মুসল্লিদের পদচারণে মুখরিত। বিভিন্ন জেলার কিশোর, যুবক, বয়োজ্যেষ্ঠ সব শ্রেণীর মানুষ ইজতেমা মাঠে আসা শুরু করেছে। অনেকে দীর্ঘ চল্লিশ বা ১২০ দিন ইসলামের দাওয়াত শেষ করে ইজতেমায় শরিক হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ ইজতেমা শেষে দেশ-বিদেশ ঘুরে ইসলামের দাওয়াত দিতে ৪০ বা ১২০ দিনের জন্য বেরিয়ে পড়বেন।

ধনী, দরিদ্র সবাই এখানে এক শামিয়ানার নিচে একসঙ্গে অবস্থান করছেন। মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ ব্যবহার্য দ্রব্যাদি কাঁধে বহন করে মাঠে আসছেন। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থেকে আসা মোহাম্মদ দুলাল মিয়া বলেন, আখেরি মোনাজাত শেষে মুরব্বিদের ঘোষণা এলে ইজতেমা স্থান ত্যাগ করবেন। ইজতেমা মাঠের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে তাঁরা কখনোই ভাবেন না। তাঁদের এখানে আসার একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহ ও রাসুল (সা.) সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা। অর্জিত জ্ঞান দাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

ইজতেমার প্রথম পর্বের গণমাধ্যমবিষয়ক সমন্বয়কারী মুফতী জহির ইবনে মুসলিম জানান, তিন দিনের কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন জামাতের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। ময়দানজুড়ে বিশাল চটের শামিয়ানার নিচে বিভিন্ন জেলার মুসল্লিদের জন্য ৮৭টি খিত্তা নির্ধারণ করে খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার বিদেশি মেহমানের থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা রেখে ময়দানের উত্তর-পশ্চিম দিকে আন্তর্জাতিক নিবাস নির্মাণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে জামাতবদ্ধ মুসল্লি ছাড়াও ব্যক্তিগত ও স্থানীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মুসল্লি ইজতেমায় অংশ নেবে। মাওলানা জোবায়েরপন্থীদের মধ্যে কওমি মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি বিশাল অংশ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ রাজাপুরে পুখরিজানা লাল সবুজ স্পোটিং ক্লাবের শুভ উদ্ভোধন

টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার পারভেজ আলম জানান, তাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মেডিকেল অফিসারদের তালিকা ও ডিউটি রোস্টার করা হয়েছে। মুসল্লিদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিতে মন্নু গেট, এটলাস গেট, বাটা কারাখানার গেট ও টঙ্গী হাসপাতাল মাঠসহ ইজতেমা মাঠের আশেপাশে বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। ওইসব ক্যাম্পে হৃদরোগ, অ্যাজমা, ট্রমা, বার্ন, চোখ এবং ওআরটি কর্নারসহ বিভিন্ন ইউনিটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ চিকিৎসা দেবেন। রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য সার্বক্ষণিক পর্যাপ্ত অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন থাকবে।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জানান, ইজতেমাস্থলে তাদের একটি কন্ট্রোল রুমও স্থপন করা হয়েছে। যেখানে সার্বক্ষণিক কর্মকর্তাসহ ফায়ারম্যানরা থাকবেন। ময়দানের প্রতি খিত্তায় ফায়ার এস্টিংগুইসারসহ ফায়ারম্যান, গুদাম ঘর ও বিদেশি মেহমানখানা এলাকায় পানিবাহী গাড়ি, ডুবুরি ইউনিট, স্ট্যান্ডবাই লাইটিং ইউনিট এবং অ্যাম্বুলেন্স থাকবে।

আরও পড়ুনঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সাংবাদিকদের উপড় হামলার মূল হোতা ফজল মন্ডল গ্রেফতার

ডেসকো কর্তৃপক্ষ জানায়, ইজতেমা এলাকায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। মুসল্লিদের ব্যবহারের জন্য ইজতেমা ময়দান এলাকায় তিনটি গ্রীড থেকে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। প্রস্তুত রাখা হেেয়ছে ৪টি শক্তিশালী জেনারেটর। ইজতেমা এলাকায় স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর এবং ট্রলি-মাউন্টেড ট্রান্সফরমারও সংরক্ষণ করা হবে।

টঙ্গী স্টেশন মাষ্টার মোঃ হালিমুজ্জামান জানান, ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের জন্য ১০টি বিশেষ ট্রেন চালু করছে এবং সকল ট্রেন টঙ্গীতে যাত্রাবিরতি করবে। রেল স্টেশনে তিন স্তরে টিকেট বিক্রি করা হচ্ছে। স্টেশনে মুসল্লিদের জন্য আলাদা অস্থায়ী বিশ্রামাগার ও ১০০টি টয়লেট তৈরীর কাজ শেষ হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কাজিপুরে চালিতাডাঙ্গা ইউপি’র উদ্যোগে ২ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ জানান, বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে ১৭টি গভীর নলকূপের মাধ্যমে প্রতিদিন বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশনে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ২০ লাখ মুসল্লির সমাগমকে সামনে রেখে প্রতিদিন সাড়ে ৩ কোটি গ্যালন পানির ব্যবস্থা থাকছে। বাড়তি টয়লেট নির্মাণ ও পাকা টয়লেটগুলো ব্যবহার উপযোগী করা হয়েছে। ৩১টি টয়লেট ভবনে ৮ হাজার ৩৩১টি টয়লেট রয়েছে।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) এস এম তরিকুল ইসলাম জানান, বিশ্ব ইজতেমা চলাকালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মুসল্লিদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে। সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মুসল্লিদের জন্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ মেডিকেল টিম। মাঠের আশপাশের খাবার দোকান ও আবাসিক হোটেলের মান ঠিক রাখতে ১২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছেন। সেনাবাহিনীর সহায়তায় তুরাগ নদীতে তৈরি করা হয়েছে ছয়টি ভাসমান সেতু।

আরও পড়ুনঃ আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে দুই বেকারীকে অর্থদন্ডসহ আটক ২

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম বলেন বলেন, সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে প্রথমবারের মতো তিনি বিশ্ব ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের খেদমত করার সুযোগ পেয়েছেন। দেশ-বিদেশ থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সব রকম সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশনের সব দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য সিটি করপোরেশন কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছে। এজন্য ২ হাজার কর্মী মাঠে কাজ করছে। ইজতেমার মুরুব্বিদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তাদের যে কোনো সমস্যা সমাধানে তৎপর রয়েছে সিটি কর্তৃপক্ষ।

তিনি আরো বলেন, সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৮টি কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ১৫টি তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। মাঠে বিøচিং-পাউডার ও মশক নিধনের পর্যাপ্ত ওষুধ ছিটানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। এছাড়া ৭৫০টি বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন ও ধুলাবালি যাতে না ওঠে সেজন্য পানি ছিটানোর ব্যবস্থা থাকছে। ইজতেমা চলাকালে ময়দানে আগত মুসল্লিদের উচ্ছিষ্ট ফেলার জন্য ময়দানের চারপাশে রিংয়ের তৈরি পোর্টেবল ডাস্টবিন স্থাপন করা হচ্ছে। যাতে ময়লা-আর্বজনা যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে পারে।

আরও পড়ুনঃ শিবপুরে মুজিববর্ষ পালন উপলক্ষে প্রস্তুুতিমূলক সভা

টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমায় থাকছে কড়া নিরাপত্তাঃ
গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার আনোয়ার হোসেন জানান, আগত লাখ লাখ মুসল্লির নিরাপত্তায় পুলিশ, র‌্যাব, গোয়েন্দাসহ যৌথ বাহিনীর প্রায় ১০ হাজার সদস্য ৫ স্তরে ভাগ হয়ে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে ১৪টি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। থাকছে পুরো ময়দানজুড়ে সিসিটিভি, আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর। খিত্তায় খিত্তায় নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। সার্বিক নিরাপত্তায় এবার ইজতেমায় সাড়ে ৮ হাজার পুলিশ সদস্য কাজ করবে। নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর পাঁচটি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র চালু থাকবে।

র‌্যাবের মুখপ্রাত্র লে. কর্ণেল সরওয়ার-বিন-কাশেম জানান, প্রতি বছরের ন্যায় বাড়তি পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন মাঠের ভেতর ও বাইরে বিভক্ত হয়ে কাজ করবে। র‌্যাবের দুটি হেলিকপ্টার ইজতেমা মাঠের আকাশে টহল দেবে। র‌্যাবের পক্ষ থেকে ১০টি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। নজরদারির জন্য মাঠের চারদিকে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সাটুরিয়ায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে প্রবাসীর স্ত্রী ও ছেলে খুন

স্থানীয় সাংসদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল জানান, ইজতেমা আয়োজক কমিটির মুরব্বিদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। তিনি জানান, টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমায় আসা দেশি-বিদেশি মেহমানদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ১৯৬৩ সাল থেকে। জানুয়ারি ১০ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইজতেমা হবে ৫৭তম। ২০০৯ সাল পর্যন্ত ইজতেমা তিন দিন ধরে অনুষ্ঠিত হতো। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মুসল্লিরা এই ইজতেমায় অংশ নেন বলে এটি বিশ্ব ইজতেমা হিসেবে পরিচিতি পায়। পরে মুসল্লিদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ২০১০ সাল থেকে দুই দফায় তিন দিন করে ইজতেমার আয়োজন করা হতো। তাবলিগের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী ও মাওলানা যোবায়ের অনুসারীর বিরোধের কারণে গত বছর থেকে দুই পক্ষ তিন দিন করে আলাদাভাবে ইজতেমার আয়োজন করতে শুরু করে।

Print Friendly, PDF & Email

খবরটি শেয়ার করুন....



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনুসন্ধান



বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

করোনা ইনফো (কোভিড-১৯)

 

 

 

 

 

 

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:০৫ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
  • ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
  • ৫:১৪ অপরাহ্ণ
  • ৬:৩১ অপরাহ্ণ
  • ৬:২০ পূর্বাহ্ণ

ফটো গ্যালারি



জনপ্রিয় পুরাতন হিন্দি গান

জনপ্রিয় বাউল গান




ইউটিউব চ্যানেল

সর্বশেষ সংবাদ জানতে



আমরা জনতার সাথে......“আজকের দিগন্ত ডট কম”

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত “আজকের দিগন্ত ডট কম”।  অনলাইন নিউজ পোর্টালটি  বাংলাদেশ তথ্য মন্ত্রনালয়ে জাতীয় নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন।

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Shares