শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি....
“সরকারের দিক-নির্দেশনা মেনে চলি, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করি।” অনলাইন নিউজ পোর্টাল “আজকের দিগন্ত ডট কম” এর পক্ষ থেকে আপনাকে জানাচ্ছি স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে এখনই ভিজিট করুন “আজকের দিগন্ত ডট কম” (www.ajkerdiganta.com) । বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য পরিশ্রমী, মেধাবী এবং সাহসী প্রতিনিধি আবশ্যক, নিউজ ও সিভি পাঠানোর ঠিকানাঃ-- ajkerdiganta@gmail.com // “ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, আসুন আমরা মাদক’কে না বলি”
সংবাদ শিরোনাম....
বান্দরবান সরকারি কলেজে পাঁচতলা ছাত্রীনিবাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও কলেজ বাসের উদ্ভোধন করেন মন্ত্রী বীর বাহাদুর চট্টগ্রামের আনন্দিপুর সড়কে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ চসিক প্রশাসক সুজনের আকষ্মিক পরিদর্শন চসিক এলাকায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে ওরিয়েন্টশন ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত আল্লামা শাহ আহমদ শফীর ইন্তেকালে ভূমিমন্ত্রীর শোক মাগুরার ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৪ আহত ২০ পেঁয়াজের মূল্য কমতে শুরু করেছে করোনাকালে কর্মহীন নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খুলনায় তিন লাখ ৩৮ হাজারের অধিক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে পেঁয়া‌জের মূল্য স্থীতিশীল রাখতে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান আন্দরকিল্লায় নকল সেলাই মেশিনের কারখানায় র‌্যাবের অভিযানঃ ২ লক্ষ টাকা জরিমানা

ভাষা আন্দোলন ২১শে ফেব্রুয়ারির গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ছবি:-- ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

 

 

 

আজকের দিগন্ত অনলাইন ডেস্ক :— বাঙালি জাতি বড়ই বিস্মৃতিপরায়ণ জাতি। নিজেদের ইতিহাস ভুলে বসে থাকে। বাঙালি বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে, স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে, শেখ মুজিবের অবদান নিয়ে। আমরা কি জানি ভাষা আন্দোলন ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হবার মুল ইতিহাসটুকু? জানি কি শেখ মুজিবের অবদান।

একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগণের গৌরবজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত।এটি বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতি বিজড়িত একটি দিন।

একুশে ফেব্রুয়ারিকে এখন “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে বিশ্বে পালিত হচ্ছে। এই একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস কিন্তু দীর্ঘ ইতিহাস। এর গুরুত্ব ও তাৎপর্যের পরিধিও ব্যাপক।


প্রথমেই একুশের ইতিহাসটি জেনে নেই :—

১৯৪৭ সালে ইংরেজরা ভারতবর্ষ ছেড়ে চলে গেলেও ভারতবর্ষকে দ্বি-খন্ডিত করে যায়। একদিকে পাকিস্তান অপরদিকে ভারত। পাকিস্তানের আবার দু‘ভাগ হয়, পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তান। পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল বেশী এবং তাদের মুখের ভাষা ছিল বাংলা। অপরদিকে পশ্চিম পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল তুলনামুলকভাবে কম এবং তাদের ভাষা ছিল উর্দু।

তা‘সত্ত্বেও পাকিস্তানের জনক নামে খ্যাত মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ নিজে ঢাকায় বাংলা ভাষার ওপর আক্রমন পরিচালনা করেন। তিনি ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষণ দেয়ার পূর্বে ঘোষণা করেন যে,“উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।” তার কথার উত্তরে ঘটনাস্থলেই দু’জন ছাত্র বলেছিলেন, “না, না, না।” তার এই কথার বিরুদ্বে পূর্ব পাকিস্তানের আপামর জনগণ রুখে দাঁড়ায়। তারা মাতৃভাষার স্বাধীনতা চায়। আর সে থেকেই পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে মাতৃভাষা নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।


পশ্চিম পাকিস্তানের সরকার পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের সরলতার সুযোগ নিয়ে তাদের নানাভাবে  ঠকাতো। পূর্ব পাকিস্তানে পাট জন্মাতো। অথচ সস্থায় এখান থেকে পাট কিনে নিয়ে তারা নিজ এলাকায় জুট মিল বানিয়ে সেখানে পাটের জিনিস তৈরি করে পূর্ব পাকিস্তানে চড়া দামে বিক্রি করতো। এরূপ আরো উদাহরণ আছে। তবে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ মাতৃভাষার স্বাধীনতার জন্যই তাদের বিরুদ্ধে প্রথম লড়ে।


১৯৫২ সালের কথা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মাতৃভাষার স্বাধীনতার জন্য আন্দোলনের ডাক দেয়। পশ্চিমা সরকার পাকিস্তানী মিলিটারীদের বলে দেয়, রাস্তায় ১৪৪ ধারা জারী করতে। মিছিলের লোক দেখলেই যেন তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এই ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাস্তায় মিছিল বের করে।

তাদের সঙ্গে সাধারন জনগণও যোগ দেয়। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী এই মাতৃভাষা আন্দোলনের মিছিলে মিলেটারীরা গুলি ছুঁড়ে ছাত্রদের হত্যা করার জন্য। এতে মারা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রফিক, শফিক,বরকতসহ জব্বার ও সালামের মত আরো অনেক জনগণ। সেই শহীদদের স্মরণে তৈরী হয় প্রথম শহীদ মিনার। ছাত্র-ছাত্রীরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের বরণ করে। কিন্তু পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীর এটা পছন্দ হলো না। পশ্চিম পাকিস্তানের সরকার সেই শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে ফেলে। আবার ছাত্ররা রাস্তায় মিছিল বের করে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য। মিলেটারীরা তাদের গ্রেফতার করে জেলে নিয়ে যায়।


এভাবে ৫৪, ৫৬, ৫৮, ৬০ সাল চলে যায়। এর মাঝে দফায় দফায় পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীর সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের লড়াই চলে। যুক্তফ্রন্টের নেতা শেখ মুজিবর রহমান সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেয়ে পার্লামেন্টে জয়লাভ করে। কিন্তু তবু তাঁকে মন্ত্রীত্ব দেয়া হলো না। কারন তিনি বাংলা ভাষার দাবীদার ছিলেন। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে তিনি পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর শোষণের হাত থেকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। ১৯৬৮ সালে তাঁর বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করে তাঁকে জেলে পাঠানো হয়। অবশেষে ১৯৬৯ গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ মুজিবর রহমান জেল থেকে বের হয়ে এসে পুনরায় তিনি ১৯৭০ এর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ  সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও বাঙ্গালী বলে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতায় বসতে পারেননি। অবশেষে তিনি আন্দোলনের ডাক দেন।


১৯৭১ এর ৭ই মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্সের বিশাল জনসমুদ্রে ভাষণ দেন। তখন পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীরা বুঝতে পারে যে, পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে আর আটকে রাখা যাবে না। আর সে জন্যই ৭১ এর  ২৫শে মার্চ কালরাত্রিতে তারা হানা দেয় পূর্ব পাকিস্তানের  রাজধানী ঢাকাসহ বড় বড় শহরগুলোতে। রক্তে রঞ্জিত করে ঢাকা সহ বড় বড় শহরগলোর মাঠ-ঘাট-প্রান্তর।


২৬শে মার্চ থেকে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ রুখে দাঁড়ায় পশ্চিম পাকিস্তানের মিলেটারীদের বিরুদ্ধে। তবে পূর্ব পাকিস্তানের কিছু লোক পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীর পক্ষে ছিল। এরা মাতৃভাষা বাংলার বিপক্ষে ছিল। তারা পাকিস্তানী মিলেটারীদের সহায়তা করত। নিজ দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের ধরিয়ে দিত পাকিস্তানী মিলেটারীদের হাতে। নিজ দেশের মা-বোনের ইজ্জত নিয়ে এরা খেলা করত। এরাই রাজাকার – আলবদর – আলসামস্  নামে পরিচিত হয়।


নয় মাস তুমুল লড়াইয়ের পর যুদ্ধ শেষ হয়। ১৪ই ডিসেম্বর পাকিস্তানের মিলেটারীদের প্রধান সেনাপতি নিয়াজী যুদ্ধ বিরতির দলিলে সই করে। পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীরা হার মানে বাঙালীর কাছে। ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালীরা বিজয়ের মুখ দেখল। তারা পেল একটি স্বাধীন ভূ-খন্ড, যার নাম বাংলাদেশ এবং মাতৃভাষা বাংলা রাষ্ট্রীয়ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেল।


কিন্তু দেশ স্বাধীন হবার পরও পাকিস্তানের কিছু দোসর রাজাকার – আলবদর এদেশে থেকে যায়। তারা বাংলাভাষার বিরোধিতা করতে থাকে। তারা ধর্মের দোহাই দিয়ে বাংলাভাষার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর এই বিরোধিতা আরো বেশী কার্যকর হতে থাকে। যেমন- দেশ স্বাধীন হবার পর বাংলাদেশের রেডিও অফিসের মূল ভবনের নামকরণ করা হয় – বাংলদেশ বেতার। কিন্তু ১৯৭৬ সালে নাম পাল্টে নামকরণ করা হয় -রেডিও বাংলাদেশ। এমন আরো কিছু সরকারী ভবনেরও নাম পরিবর্তন করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝেও এই পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। তারা বাংলা ভাষার চেয়ে অন্য ভাষার প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়ে। নিজ দেশের মাতৃভাষা রেখে তারা ইংরেজী ভাষার প্রতি বেশী আকৃষ্ট হয়।


১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসেন। তিনি এসে নিজ দেশের মাতৃভাষাকে আবার সর্বস্তরে ফিরে পেতে কঠোর পরিশ্রম শুরু করেন। তিনি অনেক ছাত্র-ছাত্রীদের বুঝিয়ে দেন যে, নিজ মাতৃভাষা হলো সবার উর্ধ্বে। অন্য দেশের ভাষা শিখতে চাইলেও নিজ দেশের মাতৃভাষাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। তাঁর প্ররোচনায় অনেক ছাত্র –ছাত্রীদের মাঝে আশার আলো পরিলক্ষিত হয়। তারা নিজ দেশের মাতৃভাষার মর্যাদা বুঝতে শিখে।

ছবি:– ইন্টারনেট


বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালে ইউনেসকো‘র কাছে আবেদন জানান, “২১শে ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলন দিবস”কে আন্তর্জাতিকভাবে পালন করার জন্য। শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ইউনেসকো ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ২১ শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করার জন্য অনুমতি দান করেন। কানাডাও এ ব্যাপারে সহযোগীতা করে। একুশে ফেব্রুয়ারী “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস“  হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। সেই থেকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশ অমর একুশের দিনকে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস“ হিসেবে পালন করে আসছে।

তখন থেকে প্রতি বছর এ দিনটি জাতীয় ‘শোক দিবস’ হিসেবে উদ্যাপিত হয়ে আসছে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা এক মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে  প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষকবৃন্দ, ঢাকাস্থ বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। এ সময় “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি” গানের করুণ সুর বাজতে থাকে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষিত হয়। এদিন শহীদ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে রেডিও, টেলিভিশন এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দেশের সংবাদপত্রগুলিও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে।

=== সূত্র: আমদেরবাংলা ও শিক্ষাবার্তা ===

Print Friendly, PDF & Email

খবরটি শেয়ার করুন....



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনুসন্ধান



বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

করোনা ইনফো (কোভিড-১৯)

 

 

 

 

 

 

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
  • ৪:১৯ অপরাহ্ণ
  • ৬:০৬ অপরাহ্ণ
  • ৭:২০ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ

ফটো গ্যালারি



জনপ্রিয় পুরাতন হিন্দি গান

জনপ্রিয় বাউল গান




ইউটিউব চ্যানেল

সর্বশেষ সংবাদ জানতে



আমরা জনতার সাথে......“আজকের দিগন্ত ডট কম”

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত “আজকের দিগন্ত ডট কম”।  অনলাইন নিউজ পোর্টালটি  বাংলাদেশ তথ্য মন্ত্রনালয়ে জাতীয় নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন।

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Shares